পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতা : জ্যান্ত লাশ

দু পক্ষের দু- টো লাশকে একটা ভ্যানরিক্সায় ধরাধরি করে তুলতেই লাশদুটো হো হো করে হেসে  উঠলো। প্রথম লাশ দ্বিতীয় লাশকে বললো ' আরে তুই ?' দ্বিতীয় লাশের উত্তর ' কি মূর্খ আমি আসল বন্ধুকেই জীবদ্দশায় চিনতে পারলাম না।ঐ যে বলে না শেষযাত্রায় যে সাথে থাকে সেই তো আসল বন্ধু।' প্রথমজনের আফশোষ ' অথচ দেখ সারাজীবন আমরা কথা বললাম না।এমন কি মুখ দেখাদেখিও না ,একে অপরকে শত্রু বলেই জানলাম।' দ্বিতীয়জন দুঃখ করে বললো " যখন আমাকে ঝোপ থেকে চ্যাংদোলা করে তুলে আনছিল পথে তোর বউকে দেখলাম।দুধের শিশু কোলে নিয়ে মাটিতে লুটোপুটি খাচ্ছে আর দু -চোখ জলে ভাসছে -----' প্রথমজন ক্ষোভের সাথে বললো ' আমি কি দেখলাম জানিস।যাদের জন্য লড়তে এসেছিলাম দু-জনে দু- পক্ষ হয়ে তারা বাগান বাড়িতে বসে মদ-মাংস ও মেয়ে মানুষে ডুবছে ------' লাশ হয়ে যা বুঝেছে জ্যান্ত লাশ থাকার সময় বুঝতে না পারার জন্য আফশোষ করতে করতে ভ্যানরিক্সায় হেলতে দুলতে হেলতে দুলতে চললো লাশঘরের দিকে। --------  ----------  কবি : ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল দুর্গাপুর থেকে প্রকাশিত ' অন্ধকারের কারুশিল্প ' পত্রিকায়।

কবিতা: তোমার হাসিমুখের খোঁজে(কল্পনা চাওলা স্মরণে)

ছবি
একদিন তুমি মাটি থেকে তাকাতে আকাশে একদিন তোমার স্বপ্নরা ছুঁয়ে যেত আকাশে তারাদের তবে কি তুমি আকাশকে ভালোবেসে আকাশেই রয়ে গেলে? আজ একবার আকাশ থেকে মাটির দিকে তাকিয়ে দেখো সব ফুল পড়ে গেছে হাতের থেকে। ভেজা চোখে তাকিয়ে সকলে আকাশের দিকে আকাশের তারাদের মুখে তোমার হাসিমুখ খোঁজে।                      ------///-–- কবি: ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্র: কবিতা টি ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না-কবিতা র বই 'আমি আসছি' তে আছে।

কবিতা: দিনের শেষে

ছবি
পুতুল খেলার দিন হয়েছে শেষ এখন  আমি ধরেছি পুতুল  বেশ। বাবার ধমকানি  মায়ের আদর  খেয়ে সকালবেলায় খোকা পুতুল সাজি মাস্টামশাই  ছড়ি দিয়ে মাপেন ভবিষ্যতে বড় হবে না পাজি। দুপুরবেলা বাবা পুতুল সেজে বোবা হয়ে ভবের  হাটে  ঘুরি সুখ দুঃখ যে যতটা পারি বাজার থলি ভরি। সন্ধ্যেবেলায় দাদু পুতুল সেজে হিসেব নিকেশ করি এতদিন তো পুতুল ছিলাম আমি এবার তবে পার করো হে হরি।                      --//// কবি:ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্রঃ কবিতা টি ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না-কবিতার বই 'আমি আসছি' তে  আছে।

পোস্ট মডার্ন পয়েট্রি : মানব অঙ্গ- প্রত্যঙ্গ

ছবি
চুল   --চিরুণী  এখানেই  তল্লাশি চালায়। মাথা --যাবতীয়  ব্যথা  কারণ। কপাল -- যাবতীয় দোষ ইহার ঘাড়ে বর্তায়। ভ্রু   --- আশ্চর্যান্বিত  বোঝাতে কোঁচকাতে হয়। চোখ --রাঙানোর  অঙ্গ  বিশেষ। নাক -- অপ্রয়োজনে গলানোর কাজে লাগে। কান ---সবচেয়ে  অপমানজনক  অঙ্গ। ঘাড়--- ধাক্কা দেওয়ার  উপযুক্ত  অঙ্গ। ঠোঁট---চুমু  খাওয়ার কাজে লাগে। মুখ --- মুখোশ  পরার  অঙ্গ বিশেষ। গাল --আলতো  টিপলে  আদর  হয়। বুক --- বেদনা জমানোর  ডিপফ্রীজ। হাত --- কড়া  এখানেই  পরানো  হয়। আঙ্গুলি---ইহার  হেলনে  অনেক কিছুই হয়। পেট---যাবতীয়  উন্নয়নের  চাবিকাঠি। পাছা---লাথি  মারার  সর্বোত্তম  স্থান। হাঁটু--- বাতজ  বেদনা  উপভোগের  অঙ্গ। পা ---- ল্যাং  মারার  অঙ্গ  বিশেষ। হাড় --- বজ্জাতি  এখানেই  লুকিয়ে  থাকে। মেরুদণ্ড ---- মচকালে আখেরে  লাভ।                -------------*--------------- কবি :ডঃ গৌতম কু...

কবিতা :অর্ধেক পৃথিবী

ছবি
শুক্রাণু  আনন্দে  গদগদ ডিম্বাণু  হয়েছে    কেনা। ডিম্বাণুর ও  খুশির  সীমা  নাই হয়েছে  কিছু  আয়। জঠরও  আল্লাদে  আটখানা শুধু  সময়ের  অপেক্ষা । কেঁদে  উঠলো  যে অর্ধেক  পৃথিবী  তার  নেই।         --/---///---- কবি: ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্র: কবিতা টি ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না -কবিতা র বই 'আমি আসছি' তে আছে।

কবিতা :শোক

ছবি
বোবা মুখ চোখ নিশ্চুপ। স্তব্ধ হাওয়া বন্ধ খাওয়া। থর থর থর হৃদয়েতে জ্বর। স্মৃতির পাতা উল্টাতে থাকা।         -------- কবি :ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্রঃ ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না-কবিতা র বই 'আমি আসছি'তে এই কবিতাটি আছে।

কবিতা :ভূতের হালচাল

ছবি
ভুতের নেইকো ভোট  ভুত বাঁধে না জোট সময় সুযোগ মতো ভূত পাকায় শুধু ঘোট। ভূত পাড়ে না ডিম না দেয় বিশ্বকাপে টিম ভূতের ভয়ে তবুও মানুষ খায় শুধু হিমশিম। খায় না ভূতে মদ ভূতের স্বভাব নয় তো বদ মাঝ রাতেতে পেত্নির সাথে করে শুধু ভদভদ। ভূতের নেইকো বাজে চাল ভূত করে না নোট জাল ভূতের শুধু ভালো লাগে শ্যাওড়া গাছের ডাল। ভূতের লোভ নেই রে বেলে না আছে লোভ তেলে ভালো ভালো বর দিয়ে দেয় গুপী বাঘাকে পেলে।             ----//// কবি:ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্র: কবিতা টি ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না-কবিতা র বই 'আমি আসছি'তে আছে। কি

কবিতা :হে প্রথম বৈজ্ঞানিক

ছবি
তোমার দেখানো পথে বাস ট্রেন উড়োজাহাজে চড়ে পৌঁছে গেছি মোরা এটম বম্বের দেশে। আজকে মোরা চাঁদে যেতে পারি। আশ্চর্য হবে না কেউ যদি মঙ্গলে পা রাখি। মোরা জীবন দিতে পারি তবুও ব্যস্ত থাকি জীবন নেওয়ার খেলায় সভ্য মুখোশ খুলে পড়ে যায় এক দমকা হওয়ায়। হে প্রথম বৈজ্ঞানিক  তুমিই না পুঁতেছিলেন সভ্যতার বীজ আবার তুমি এসো লাগাও নতুন চারাগাছ বাইরে নয় রক্তে লাগুক সভ্যতার দাগ।              ------------ কবি: ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্র:  কবিতা টি ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না-কবিতার বই 'আমি আসছি' তে  আছে।

কবিতা :বিবেকের সাথে কিছুক্ষণ

ছবি
বিবেকের সাথে সেদিন হঠাৎ দেখা। বললাম 'কি ব্যাপার আজকাল আর তোমার দেখাই তো পাই না।' আমার কথা শুনে বিবেক হো হো করে হেসে উঠলো। বললো ,'আগে আমাকে আয়নাতে  রাখতে।আর আমিও সময়মতো একটু দংশন করার সুযোগ পেতাম। আর এখন তো আমি ডিপ ফ্রিজে ----------নিরেট বরফ।                   ----------// কবি : ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক কবিতা টি আমার ২০০৮ সালে প্রকাশিত কবিতা ও না-কবিতার বই 'আমি আসছি'তে আছে।

কবিতা :ধান্দাবাজির ধারাপাত

ছবি
বসের হাঁটাচলা ওঠাবসা পছন্দ অপছন্দে আপনার শকুনচোখ কে ব্যস্ত থাকতে বলুন। বসের হাসির রেশের সাথে তালমিলিয়ে আপনার গাল ঢেউ তুলতে পারছে কি না একটু ভেবে দেখুন। লক্ষ্য রাখুন আপনার মুখ নিঃসৃত কথাগুলি যেন গদগদ  কম্পনযুক্ত হয়। আপনার প্যাসিভ স্মোকিং এর পরিমাণ বসের একটিভ স্মোকিং এর সমান রাখার  চেষ্টা করুন। আপনার তেলচুকচুকে বডি ল্যাংগুয়েজকে  ন্যাকামি মিশিয়ে আরও মোলায়েম করুন। ওস্তাদ ,নজরটা ভাগাড়ে রাখতে ভুলবেন না যেন!                         ----------/// কবি: ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক কবিতা টি ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না-কবিতা র বই 'আমি আসছি' তে আছে।

কবিতা : হারিয়ে গেছে চুষিকাঠি

ছবি
লালা ভিজানো চুষিকাঠি কবেই হারিয়ে গেছে। এখন, অদৃশ্য কাঠি পিছনে  দেওয়ায় রপ্ত হয়েছি বেশ। অবশ্য, অদৃশ্য ধামা থাকে হাতে চাপা দিতে পারলেই বল হরি হরি বোল-----------                   ------- কবি : ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্র: কবিতা টি আমার  কবিতা ও না কবিতার বই 'আমি আসছি'তে আছে।

কবিতা :কবি

ছবি
READ MORE মানুষকে ভালবেসে মানুষের পাশে থেকে একে যান সমাজের ছবি                 প্রতি অক্ষরে। আমার নতুন লেখা বই “খাই খাই” google books এ মাটির মানুষ তিনি মাঠে ঘাটে যান তিনি তবু ঝড় তুলে দেন                  হিমঘরে। আরও পড়ুন চোখ খুলে দেন তিনি আসল নকল চিনি মুখোশটি খুলে দেন             মুখের থেকে। আমার নতুন লেখা বই পড়ুন সংগ্রামী মন তার সমাজটা পাল্টান সজোরে মারেন ঘা ঘুনধরা সমাজের বুকে। নতুন হাসির রম্য              ।।।।। কবি : ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্র: কবিতাটি ২০০৮ সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না কবিতার বই 'আমি আসছি'তে আছি। 'আমি আসছি' তে  সমস্ত আপডেট এর জন্য Facebook এ আমার পেজ অনুসরণ করুন

অণুকবিতা :লজ্জা

ছবি
মুখে বলে -ছি ! মনে- বেশ করেছিস শিহরণ, গালে টোল ঠোঁটের কোণে চাঁদের হাসি। READ MORE আমার নতুন লেখা বই “খাই খাই” google books এ আরও পড়ুন আমার নতুন লেখা বই পড়ুন আমার নতুন লেখা বই google books এ নতুন হাসির রম্য সমস্ত আপডেট এর জন্য Facebook এ আমার পেজ অনুসরণ করুন কবি :ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক অণু কবিতা টি  ২০০৮ সালে আমার কবিতা ও না কবিতার বই 'আমি আসছি 'তে আছে।

স্লোগান :শব্দবাজী আর নয়

                               (১)                               শব্দবাজী  নিপাত  যাক                    দেশের  মানুষ ভালো থাক।                                   (২)                          রাত্রে  মাইক  নয়                          রোগীর কষ্ট  হয়।                                  (৩)                         শব্দ দূষণ  যেন                     ...

অণুকবিতা :গান

ছবি
মানুষের কথা প্রকৃতির সুর হৃদয়ের স্রোতে ভেসে যায় বহুদূর। READ MORE আমার নতুন লেখা বই “খাই খাই” google books এ আরও পড়ুন আমার নতুন লেখা বই পড়ুন আমার নতুন লেখা বই google books এ নতুন হাসির রম্য সমস্ত আপডেট এর জন্য Facebook এ আমার পেজ অনুসরণ করুন কবি ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক বি:দ্র:  কবিতাটি 2008 সালে প্রকাশিত আমার কবিতা ও না কবিতা র বই 'আমি আসছি' তে আছে।

অণুকবিতা :প্রেম

ছবি
গোল গোল চোখ করে মুখ বলে বটে। চটিলেই পটে। কাঁঠালের আঁঠাসম বড় চটচটে। ----------- কবি :ডঃ গৌতম কুমার মল্লিক।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কবিতা : জ্যান্ত লাশ

কবিতা : নতুন বছর

রম্য রচনা : এক ব্যস্ত মানুষের সাক্ষাৎকার